Message from the Deputy Education Minister

dem

মহিবুল হাসান চৌধুরী এম.পি.
উপমন্ত্রী
শিক্ষা মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

 

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নবম সমাবর্তন উপলক্ষে ̈ আমি সকল ডিগ্রীপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীবৃন্দ, শিক্ষকমন্ডলী, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং অভিভাবকবৃন্দসহ সকলকে উষ্ণ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে শিক্ষার বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট প্রতিনিয়ত পাল্টে যাচ্ছে। প্রযুক্তি নির্ভর এই সময়ের সঙ্গে নিজেদের তাল মিলিয়ে চলতে শিক্ষা বিশেষ করে উচ্চশিক্ষার তথা ত...তীয় পর্যায়ের শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।  স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব-এর লক্ষ ̈ ও উদ্দেশ ̈ ̧লোর মধে ̈ শিক্ষার সর্বাধিক ̧রুত্ব ছিলো। তাই তো তিনি যুদ্ধপরবর্তী সময়ে দেশে গণমুখী শিক্ষা প্রসারের ক্ষেত্রে সব ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। আর সেই ধারাবাহিকতায় শিক্ষাকে উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ̧রুত্ব দিয়ে বর্তমান সরকার এই খাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের এই চলমান যুগে উচ্চশিক্ষাকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমুখী করার লক্ষে ̈ সাম্প্রতিক কালে ধারাবাহিকভাবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হচ্ছে। রূপকল্প ২০২১ এবং ২০৪১ ও ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন  বাস্তবায়নে দক্ষ গ্র ̈াজুয়েট তৈরিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নানামুখী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ডিজিটালাইজড করার লক্ষে ̈ সকল ধরনের প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা ইতোমধে ̈ গ্রহণ করা হয়েছে।

শিক্ষার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় , যেখান থেকে গবেষণা হয় এবং সেই গবেষণার উপর ভিত্তি করে আমাদের জীবনযাত্রার পরিবর্তন ঘটে। গড়ে উঠে শিল্প এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষিত দক্ষ কারিগরেরাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যায় আলোকিত ভবিষ ̈তের দিকে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নতির ফলে বাংলাদেশেও ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের সূচনা ঘটেছে; আর এই শিল্পকে আরো জোরদার এবং গতিশীল করার একমাত্র উপায় হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা ও উদ্ভাবনমূলক কার্যক্রম  বৃদ্ধির চর্চা করা। সেই সঙ্গে বিশেষায়িত পেশার চাহিদার উপর ভিত্তি করে নতুন বিভাগ খুলতে হবে অথবা কারিকুলামে নতুন কোর্সের সংযুক্তি করতে হবে। নতুবা বহু গ্রাজুয়েট এই অটোমেশনের যুগে কর্মহীন হয়ে থাকবে। এই কর্মযজ্ঞকে আরো গতিশীল করার লক্ষে ̈ সরকার ইতোমধে ̈ নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রিয় ডিগ্রীপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীবৃন্দ, আপনারা শিক্ষিত তার পরিচয় এই সনদ; এটা ভাবলে ভুল হবে। দেশের প্রতি, জনগনের প্রতি এবং আপনার পরিবারের প্রতি আপনাদের দায়বদ্ধতা বরং আরো বেড়ে গেলো। শিক্ষাক্ষেত্র আর কর্মক্ষেত্র কখনই এক পরিবেশ নয়। কর্মক্ষেত্রে শিক্ষার পাশাপাশি একজন সৎ উদ্যমী মানুষ বড্ড প্রয়োজন। আমি ডিগ্রী সনদপ্রাপ্ত সকল শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নবম সমাবর্তনের সর্বাত্মক সাফল ̈ কামনা করছি।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবি হউক।